Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

চাঁদা না পেয়ে দোয়া মাহফিলের খাবার ফেলে দিলেন বিএনপি নেতার অনুসারীরা

 



চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর অসুস্থ বাবার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের রান্না করা খাবার ফেলে দিয়েছেন বিএনপি নেতার অনুসারীরা। ছবি : কালবেলা


বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর অসুস্থ বাবার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের রান্না করা খাবার ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে।


গত ১৬ মে মোড়েলগঞ্জের ব্যাবোইখালী ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ি গ্রামের নূর আলী হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, শিপনের অনুসারীদের ভয়ে দেশে ফিরেও গ্রামের বাড়িতে যেতে পারছেন না ওই প্রবাসী। এমনকি অসুস্থ বাবা-মাকেও দেখতে পারেননি তিনি। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি। উপায় না পেয়ে এনসিপির দুই শীর্ষ নেতার দ্বারস্থ হয়েও নিরাপত্তা পাচ্ছেন না ওই প্রবাসী।


সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রবাসী জাহিদ ইসলাম অসুস্থ বাবা-মাকে দেখতে সম্প্রতি গ্রিস থেকে দেশে ফিরে ঢাকার একটি হোটেলে উঠেন। অসুস্থ বাবা-মার রোগমুক্তি কামনায় শুক্রবার গ্রামের বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেন স্থানীয় বিএনপি নেতাদেরও।এ খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রবাসী জাহিদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বিএনপি নেতা কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের চাচাতো ভাই কাজী সাইফুজ্জামান রাসেল। চাঁদা না দিতে অস্বীকার করায় রাসেল তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে জাহিদের বাড়িতে গিয়ে দোয়া মাহফিলের রান্না করা খাবার ফেলে দেন। এ সময় রাসেলের সঙ্গে ছিলেন শিপনের অনুসারী লোকমান হোসেন খান, মহিউদ্দিন জিলান, মাসুদ খান (চুন্নু), নজরুল ইসলাম ব্যাপারীসহ ১০/১২ জন।


প্রবাসী জাহিদ বলেন, আমি দুই দশকের বেশি সময় ধরে গ্রিসে থাকি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। তবে গ্রিসের একটি বাঙালি কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। এ ছাড়া ‘জাহিদ ইসলাম’ নামে একটি ফাউন্ডেশন রয়েছে আমার। সেই ফাউন্ডেশনের ব্যানারে দেশের বিভিন্ন জেলায় সামাজিক কর্মকাণ্ড ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ত্রাণ দিয়েছি।এ ছাড়া গ্রিসের বাঙালি কমিউনিটিতে নানা অনুষ্ঠান করেছি। সেসব অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তোলা ছবিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে শিপনের অনুসারীরা। অথচ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গেই আমার বেশি ছবি আছে।


২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় গ্রামের বাড়িতে যেতে দিচ্ছে না তারা। এমনকি হত্যার হুমকি দিচ্ছে। দেশে ফিরেও অসুস্থ বাবা-মাকে দেখতে গ্রামে যেতে পারছি না। সর্বশেষ আব্বা-আম্মার দোয়া মাহফিলের খাবারও ফেলে দিয়েছে। ঘটনাটি বাগেরহাটের এসপি সাহেবকে জানিয়েও প্রতিকার পাইনি। বাধ্য হয়ে এনসিপি সভাপতি নাহিদ ইসলাম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে জানিয়েছি। তারা মোড়েলগঞ্জের এনসিপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বলেছেন বিষয়টিমোড়েলগঞ্জ বিএনপি নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বেশ কয়েকজন ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। খাইরুজ্জামান শিপনকে ছাড়া অন্য নেতাদের সঙ্গে কেউ কাজ করলেই তিনি ক্ষুব্ধ হন। নানাভাবে তাদের হয়রানি করেন শিপনের অনুসারীরা। বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরে শিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।


জানতে চাইলে কাজী খাইরুজ্জামান শিপন বলেন, এ ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি মোড়েলগঞ্জে এমপি নির্বাচন করেছি। যে আমার পরিচিত সেও আমার অনুসারী, যাকে আমি চিনি না সেও আমার অনুসারী। কারা খাবার ফেলেছে সেটা আমি জানি না।


তিনি আরও বলেন, জাহিদ নামে যাকে আমি চিনি তিনি আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই হয়তো কেউ কেউ এটা করে থাকতে পারে। দেখার জন্য। এরপরও কাজ হয়নি

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...