কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা মারাত্মক রূপ নিয়েছে। সীমান্তে টানা ১১ দিন ধরে গোলাগুলি, যুদ্ধের আশঙ্কা, পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি—সব কিছু মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হয়েছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আধুনিক অস্ত্র Airborne Early Warning and Control Systems (AEW&C) বা এওয়াক্স। এটি বিমানে স্থাপিত একটি রাডার সিস্টেম, যা আকাশে ভাসমান অবস্থায় শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য হুমকি শনাক্তে অসাধারণ দক্ষতা রাখে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে পাকিস্তান দ্রুত সক্রিয় করতে পারে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যা ভারতীয় মিসাইল বা বিমানকে মাঝ আকাশেই গুঁড়িয়ে দিতে পারে।
ভারতীয় বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মনে করেন, এই রাডার প্ল্যাটফর্ম না ধ্বংস করা পর্যন্ত পাকিস্তানের আকাশে অভিযান চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এটি শুধু নজরদারিই নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক সুবিধা দেয়।এই পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের AEW&C ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা কৌশলগতভাবে কিছুটা এগিয়ে আছে। ভারত এ ব্যবস্থাকে অকার্যকর না করলে, পেহেলগাম হামলার প্রতিশোধ নেয়াও হবে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে এখন শুধু যুদ্ধবিমান নয়, তথ্য প্রযুক্তি ও রাডার ক্ষমতার লড়াইও চলছে।
আপনার মতামত লিখুনঃ

Comments
Post a Comment