Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

ইরানের হামলার মধ্যে ইতিহাস ভেঙে কেন পাক সেনাপ্রধানকে আপ্যায়ন করলেন ট্রাম্প

 



পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে বুধবার (১৮ জুন) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই প্রথম একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের কোনো সেনাপ্রধানকে আতিথ্য দিলেন, যিনি দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান নন। আসিম মুনির পাঁচ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।


এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া কিছুই দেয়নি’ এবং এটি সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে সাত বছর আগে অভিযোগ করেছিলেন ট্রাম্প। আর তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেন এই দেশটিকে ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর একটি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। সেই দেশের প্রতি ট্রাম্পের এই মনোভাব একটি নাটকীয় পরিবর্তন।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনের অধীনে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কাজটি কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল। গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বল্প সময়ের কিন্তু তীব্র সামরিক সংঘাতের সময় এটি আরও সুসংহত হয়। ওই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেছিল। অবশ্য কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করে বলছেন, নতুন করে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক নীতির পরিবর্তে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অবস্থানের ফল হিসেবে দেখা উচিত।


মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের (এমইআই) জ্যেষ্ঠ ফেলো মারভিন ওয়েইনবাউম বলেন, ‘আমরা এমন একটি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছি, যারা প্রতি ঘণ্টায় তাদের সুর পাল্টায়। এখানে নিয়মনীতি বলে কিছু নেই।’ মারভিন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আগ্রহ নেই বলছে তো পরের মিনিটেই অগ্রাধিকার দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। আপনি এমন একটি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছেন, যেটি অস্থির এবং ব্যক্তি-নিয়ন্ত্রিত। এটি প্রথাগত মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।’ তবে অন্যরা বলছেন, আসিম মুনিরকে ট্রাম্পের আতিথ্য জানানোর এই দৃষ্টিভঙ্গির তাৎপর্য রয়েছে

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে বুধবার (১৮ জুন) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই প্রথম একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের কোনো সেনাপ্রধানকে আতিথ্য দিলেন, যিনি দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান নন। আসিম মুনির পাঁচ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।


এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া কিছুই দেয়নি’ এবং এটি সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে সাত বছর আগে অভিযোগ করেছিলেন ট্রাম্প। আর তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেন এই দেশটিকে ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর একটি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। সেই দেশের প্রতি ট্রাম্পের এই মনোভাব একটি নাটকীয় পরিবর্তন।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনের অধীনে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কাজটি কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল। গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বল্প সময়ের কিন্তু তীব্র সামরিক সংঘাতের সময় এটি আরও সুসংহত হয়। ওই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেছিল। অবশ্য কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করে বলছেন, নতুন করে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক নীতির পরিবর্তে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অবস্থানের ফল হিসেবে দেখা উচিত।


মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের (এমইআই) জ্যেষ্ঠ ফেলো মারভিন ওয়েইনবাউম বলেন, ‘আমরা এমন একটি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছি, যারা প্রতি ঘণ্টায় তাদের সুর পাল্টায়। এখানে নিয়মনীতি বলে কিছু নেই।’ মারভিন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আগ্রহ নেই বলছে তো পরের মিনিটেই অগ্রাধিকার দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। আপনি এমন একটি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছেন, যেটি অস্থির এবং ব্যক্তি-নিয়ন্ত্রিত। এটি প্রথাগত মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।’ তবে অন্যরা বলছেন, আসিম মুনিরকে ট্রাম্পের আতিথ্য জানানোর এই দৃষ্টিভঙ্গির তাৎপর্য রয়েছে।



সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের ডিস্টিংগুইশড লেকচারার রাজা আহমদ রুমি বলেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে ট্রাম্পের মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণ কেবল প্রোটোকল (রাষ্ট্রীয় রীতিনীতি) ভঙ্গই নয়, এটি প্রোটোকলকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। তিনি আরও বলেন, এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয়, পাকিস্তান শুধু ওয়াশিংটনের নজরেই নেই, বরং দেশটি ঘনিষ্ঠ মহলের মধ্যেই রয়েছে; অন্তত এই সময়ে।


ট্রাম্প ও আসিম মুনিরের বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। ১৩ জুন থেকে ইরানের শহরগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। ইরানও ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে জবাব দিয়েছে।


ইরানের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা এবং বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গত ছয় দিনে ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় সরাসরি যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের সরকার। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।


আসিম মুনিরের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, পাকিস্তানিরা ‘ইরানকে খুব ভালো চেনে, বেশির ভাগ মানুষের চেয়ে ভালো’। তবে তিনি আরও বলেন, তারা (পাকিস্তানিরা) ‘খুশি নন’।


ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, আসিম মুনিরের সঙ্গে এই সাক্ষাতের প্রধান কারণ ছিল মে মাসে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে তাঁর ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানানো। এই সংঘাতটি ১৬০ কোটির বেশি মানুষের বাসস্থান এই অঞ্চলকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের জন্য পরিচিত ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাঁকে (আসিম মুনির) এখানে আমন্ত্রণ জানানোর কারণ ছিল আমি তাঁকে (ভারতের সঙ্গে) যুদ্ধে না যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চেয়েছি। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কাজ করছি।’প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই দুই অত্যন্ত বুদ্ধিমান ব্যক্তি এমন একটি যুদ্ধ চালিয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যেটি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারত। পাকিস্তান ও ভারত দুটি বড় পারমাণবিক শক্তিধর দেশ।’ আসিম মুনিরকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’


এই সংকট শুরু হয়েছিল গত এপ্রিলে ভারতশাসিত কাশ্মীরে একটি হামলার পর। ওই হামলায় ২৬ জন ভারতীয় বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। ভারত এ জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছিল। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য, স্বাধীন, স্বচ্ছ’ তদন্তের আহ্বান জানায়।


গত ৭ মে পাকিস্তানের ভূখণ্ড ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে হামলা চালায় ভারত। পাকিস্তান তাদের বিমানবাহিনীর মাধ্যমে হামলার জবাব দেয়। দেশটি দাবি করে, তারা অন্তত ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। ভারত ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেও নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি।


এই সংঘাত আরও তীব্র হয় যখন উভয় পক্ষ তিন দিন ধরে ড্রোন হামলা চালায় এবং শেষ পর্যন্ত ১০ মে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। নেপথ্যে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার পর, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হওয়ায় সংঘাতের অবসান ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।


প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার তাঁর ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ থামিয়েছি। এই ব্যক্তি (আসিম মুনির) পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এটি থামাতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকায় ছিলেন, মোদি ভারতের পক্ষ থেকে; অন্যরাও ছিলেন।’

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...