Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

হলগুলোতে ‘দেদারসে’ রাজনীতি করছে ছাত্রশিবির

 


অন্যদের বাধা দিলেও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ‘দেদারসে’ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের নেতা আব্দুল কাদের।


শনিবার এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, শৃঙ্খলা কমিটি কিংবা ব্যাচ প্রতিনিধির নামে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা হলগুলোতে ছায়া প্রশাসন জারি রেখেছেন।


কাদেরের অভিযোগ, হলের শৃঙ্খলা কমিটির অধিকাংশই ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত। তারা অনলাইন ভোটাভুটিতে কারচুপি করে এসব প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন।এসব অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ বলছেন, এগুলো তাদের ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়ার একটা রাজনীতি।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে আসে শুক্রবার।


সেদিন ঢাবির ১৮টি হলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপরই ওই কমিটি নিয়ে শুরু হয় নানা সমালোচনা।


এছাড়া হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন একদল শিক্ষার্থী।


তাদের আন্দোলনের মুখে শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান।


তবে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মনে করেন, আবাসিক হলগুলোয় গুপ্ত ও প্রকাশ্য রাজনীতি বন্ধের যে ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিয়েছে, তা খুব একটা ফলপ্রসূ হবে না।


ফেইসবুকে তিনি লিখেছেন, “এমন ঘোষণায় কেবল প্রকাশ্য রাজনীতিটা বাধাগ্রস্ত হবে, গুপ্তদের আটকাতে পারবে না। দুদিন পর আবারও পরিস্থিতি বেগতিক হবে। তাছাড়া এর আগেও এমন ঘোষণা বহুবার হয়েছে; সমাধান হয়নি।


“দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন শিক্ষার্থী, ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একত্রে বসে আলাপ-আলোচনা করে একটা সমন্বিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির সুস্পষ্ট রূপরেখা হাজির করা। সব পক্ষ একটা চুক্তিতে আসা ব্যতিত এ অবস্থার কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নাই।”


ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি জুলাই আন্দোলনের সময়কার নয় দফার মধ্যে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ঢুকাতে চেয়েছিলেন বলেও মন্তব্য করেন আব্দুল কাদের।তিনি বলছেন, “ফরহাদ সাহেব সপ্তম দফায় ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি ঢুকাতে চেয়েছিলেন। এটা নিয়ে তার সঙ্গে আধা ঘণ্টার বেশি সময় তর্ক-বিতর্ক হয়।


“আমি তখনও তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা আসল সমাধান না। আর রাজনীতি বন্ধ করলে কার লাভ, সেটাও তাকে ধরিয়ে দিয়েছি।”


তিনি বলছেন, “লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি কিংবা রাজনীতি বন্ধ করাও যেহেতু ফিজিবল না, সেজন্য ৫ অগাস্টের পরে ভিন্ন কাঠামো ভাবার প্রয়োজন অনুভূত হয়েছে। যদিও ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা গোষ্ঠী তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, মব ক্রিয়েট করেছেন, কিন্ত শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেন নাই। তাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাও এই মবের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। যদি উদাহরণ দিতে বলেন, তাহলে বলি- ঢাবিতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে সম্মুখ সারিতে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।


“তিনি পরবর্তী সময়ে শিবিরের ঢাবি শাখার প্রকাশিত কমিটির ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন! ছাত্র রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাসের আহ্বান জানানো, আন্দোলন করা মুনতাসীর পরবর্তী সময়ে তিতুমীর কলেজ শাখা শিবিরের সেক্রেটারি হিসেবে আবির্ভূত হলেন! শিবিরের প্রতিটা ইউনিট— ক্যাম্পাস ও হল কমিটি প্রকাশ করলে এমন অসংখ্য চমক হয়ত আমরা দেখতে পেতাম।”


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে শুক্রবার মধ্য রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন একদল শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে শুক্রবার মধ্য রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন একদল শিক্ষার্থী।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠনটির নেতা কাদের বলছেন, “ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের এজেন্ডা ব্যর্থ হওয়ার পরবর্তী পর্যায়ে একপ্রকার ঠিক হলো, শিক্ষার্থীদের দারি-দাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে হল ও একাডেমিক এরিয়ায় রাজনৈতিক কাঠামো ফাংশন করবে না।


“আমি মনে করি, হল ও একাডেমিক এরিয়ায় রাজনীতি না চাওয়ার বিষয়টা একচুয়াল সাধারণ শিক্ষার্থীদেরই দাবি, শিবিরের সাধারণ শিক্ষার্থীদের না। এমন দাবির পেছনের কারণ হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের বিগত দিনের তিক্তহল ও ‘একাডেমিক এরিয়ায় রাজনীতি ফাংশন’ না করার ব্যাপারে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে একটা অলিখিত সমঝোতা ছিল বলেও মন্তব্য করেন কাদের।


তিনি বলেন, “এই দাব উত্থাপিত হওয়ার সময় শিবিরের ঢাবি নেতৃত্বের সঙ্গেও আমাদের আলাপ হয়েছে। মাঠে যখন ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে জোরালো আন্দোলন হয়, তখন আমাদের পক্ষ থেকে এই ফরমেট প্রস্তাবিত হয় এবং ফরহাদ হোসাইনের সঙ্গে আলোচনা করে এই দাবিটা স্পষ্ট করা হয়।


“এ দাবি শিবিরও মেনে নিয়েছে, আমরাও সংগঠনের আত্মপ্রকাশের দিন শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অঙ্গীকার করেছি। অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও নিরব সম্মতি দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে সরাসরি যান নাই।”


কিন্তু ছাত্রশিবির তারপরেও কমিটি দিয়ে দেদারসে রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ তোলেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের এ নেতা।


তিনি বলেন, “পরবর্তী সময়ে আমাদের সাংগঠনিক ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও আমরা আর হল কমিটি দেই নাই, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের জায়গাটা প্রাধান্য দিয়েছি। অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও হলে ওইভাবে কমিটি ফাংশন করেন নাই। কিন্ত শিবির শিক্ষার্থীদের প্রতি দেওয়া কমিটমেন্ট ব্রেক করেছেন।


“তাদের আগের কমিটি বহাল রেখেছেন এবং দেদারসে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। হলে হলে শৃঙ্খলা কমিটি, ব্যাচ প্রতিনিধির নামে হলগুলোতে ছায়া প্রশাসন হিসেবে কাজ করেছেন। হলের শৃঙ্খলা কমিটির অধিকাংশই শিবিরের, অনলাইন ভোটাভুটির মাধ্যমে তারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে সেই প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন।”


শিবিরের বিরুদ্ধে তিনি লিখেছেন, “নিজেরা হলে নবোদ্যমে সাংগঠনিক কাজ করে গেছেন, অন্যকেউ করতে গেলে কিংবা হলে উঠতে গেলে মব ক্রিয়েট করেছেন। যার ফলে অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, হওয়াটাই স্বাভাবিক।


“ঢাবি শিবিরের সভাপতি যখন ছোট ছোট টিম দিয়ে হল পরিচালনা করবেন; আর অন্যদেরকে বাধা দেবেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যরা ক্ষুব্ধ হবেন। তারাও হলগুলোতে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ফাংশন করার ব্যাপারে উদগ্রীব হবেন।” অভিজ্ঞতা।”একদল শিক্ষার্থীর দাবির মুখে শুক্রবার আবাসিক হলগুলোতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান।

একদল শিক্ষার্থীর দাবির মুখে শুক্রবার আবাসিক হলগুলোতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান।


তিনি অভিযোগ করেছেন, “হলে হলে রাজনীতি বন্ধের ব্যাপারে অন্যান্য ছাত্রসংগঠন যখন নীরব সমঝোতায় এলেন, তখন শিবির নিজেদের হল কমিটি বহাল রেখে এবং সেটাকে ফাংশন করে অন্যান্য ছাত্রসংগঠনকেও হলে হলে রাজনৈতিক কাঠামো দেওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করেছেন।


“শিবিরের ঢাবি নেতৃত্বের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ হলেও তারা নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেছেন। হল কমিটি ফাংশন না করলে তাদের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়বে বলে তারা জানিয়েছেন। তাছাড়া তাদের এই হল কমিটি নাকি রাজনৈতিক কমিটি না, সেই বিষয়ে তারা স্ট্যান্ড নিলেন। যা-ই হোক, শিবির নিজেদের হল কমিটি ফাংশনাল রেখে, অন্যদের পথকে সুগম করেছেন, এটাই প্রকৃত সত্য বিষয়।”


কাদেরের এসব অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রশিবির নেতা এস এম ফরহাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বলছেন, “আন্দোলনের সময়ে হলের যেসব শিক্ষার্থী দুঃসাহসী ভূমিকা রেখে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে হল ও ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করেছিল, সেসব শিক্ষার্থীর তো লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হত। ছাত্রলীগ যদি ক্যাম্পাসে রাজনীতি করার সুযোগ পায়, তাহলে এসব শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার হুমকিতে পড়তে পারে।


“এ বিষয়টি মাথায় রেখে নয় দফায় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি যুক্ত করা হয়েছিল, যেহেতু তখনো আন্দোলনে এক দফায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।”


তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটনের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদেরকে নিরাপদ রাখতে এই দফার সংযুক্তি অত্যন্ত যৌক্তিক ছিল। বর্তমানে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটনের মাধ্যমে সেই সংকট সমাধান হয়েছে; একই সঙ্গে ছাত্র রাজনীতির পুরো সিস্টেমে প্যারাডাইম শিফটিংয়ের সুযোগও তৈরি হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer
Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...