Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

খালেদা জিয়ার বাড়ি ঘেরাওয়ে নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মানিক



 

বেগম খালেদা জিয়া ও শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ‘জিয়াউর রহমান ফোবিয়ায়’ ভুগতেন। এ কারণে উচ্চ আদালতের বিচারিক দায়িত্ব পালনের পুরোটা সময় বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক বিতর্কিত রায় দিয়ে গেছেন।


আওয়ামী লীগের ক্যাডার বিতর্কিত বিচারপতি মানিক সম্পর্কে উচ্চ আদালতের আইনজীবী ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা বলেন, উচ্চ আদালতের অধিকাংশ মামলার শুনানিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বিষোদ্গার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে বিতর্কেরও জন্ম দেন তিনি।


প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম থাকায় বিতর্কিত রায় দিয়ে শিশু একাডেমি ও জিয়া শিুশু পার্ক উচ্ছেদের পথ করে দেন বিতর্কিত এই বিচারপতি। হাইকোর্টের কয়েকটি মামলার রায় পর্যালোচনা করে বিচারপতি মানিকের বিভিন্ন অপকর্ম সম্পর্কে জানা গেছে। তার দেওয়া অধিকাংশ রায়ে শেখ হাসিনার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটত বলেও জানিয়েছেন আইনজীবীরা।আওয়ামী ক্যাডার বিচারপতি মানিকের ‘জিয়া ফোবিয়া’আওয়ামী ক্যাডার বিচারপতি মানিকের ‘জিয়া ফোবিয়া’

আইনজীবীরা জানান, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বিচারকের আড়ালে ছিলেন শেখ হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্য। আদালতে তার দেওয়া অধিকাংশ রায়ে আইন ও বিধি-বিধানের পরিবর্তে শেখ হাসিনার ইচ্ছার প্রাধান্য থাকত। বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরও জিয়া পরিবারকে নিয়ে কুৎসা রটনা, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা ছিল তার নিত্যদিনের কর্মসূচি। বিভিন্ন সংগঠনের নামে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে ‘গালিগালাজ’ করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন নিজেই। গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করে ‘কালা মানিক’ খ্যাতি পান। জাতীয় সংসদ তাকে অপসারণের রুলিং দিয়ে ‘স্যাডিস্ট’ আখ্যা দেয়। এটির উল্লেখ সংসদের কার্যবিবরণীতেও রয়েছেবিচারকের আসনে বসে শুধু জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেই বিষোদ্গার করেননি, আদালতের বাইরেও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোয় ভূমিকা পালন করে শেখ হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনীর নেতৃত্ব দেন মানিক।


২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপির এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের মক্তিযুদ্ধের চেতনা বাণিজ্যের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের ভূমিকা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বিভিন্ন ধরনের দেশবিরোধী অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারপতি মানিকের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানিক) বিএনপি চেয়ারপারসনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তার গুলশানের বাড়ি ঘেরাও করে।


বিচারপতি মানিককে আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল বাহিনীর সর্দার হিসেবে উল্লেখ করেন বিএনপি নেতারা। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আমার দেশকে বলেন, আমরা আগে শুনতাম সাত রাজার ধন মানিক আর গত সাড়ে ১৫ বছরে শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় দেখলাম এক রানির ধন মানিক। এই মানিক শুধু আওয়ামী লীগের লাঠিয়ালই ছিলেন না, তিনি জাতীয় সংসদ কর্তৃক স্বীকৃত একজন স্যাডিস্টও ছিলেন। এই লোকটি বিচারকের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বেআইনি সব কর্মকাণ্ড করে ঘৃণার পাত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। বিচার বিভাগ থেকে বিদায় নেওয়ার পরও জিয়া পরিবারের ওপর তিনি বিভিন্নভাবে তার জিঘাংসা ও ক্ষোভ চরিতার্থ করেছেন। চেয়ারপারসনের গুলশানের বাড়ি ঘেরাও করা তার নিকৃষ্ট উদাহরণ। তবে তার রানি হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে পারলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, মানিক সীমান্তে ভবঘুরে অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পড়েন। তার প্রতিটি অপকর্মের পৃথক বিচার হওয়া জরুরি বলেও মনে করেন বিএনপির এই নেতা।


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...