Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুরের বিরুদ্ধে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

 



সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজধানীতে সংঘটিত সব গণহত্যার মিশন বাস্তবায়ন করেন তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে এই পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন বেপরোয়া। তার উপস্থিতিতেই পুলিশ ১৯ জুলাই রামপুরায় আন্দোলনকারী নাদিম ও বৃদ্ধ মায়া ইসলামকে গুলি করে হত্যা করে। এদিন আহত হয় ৬ বছরের শিশু বাসিত খান মুসা ও আমির হোসেন নামের এক যুবক।


এছাড়াও এদিন আরও অন্তত ২৩ জনকে গুলি করে হত্যা এবং বহু মানুষকে আহত করে পুলিশ। রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অভিযোগপত্রে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।


রোববার মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তারা সবাই পলাতক। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলা আমলে নিয়ে পরোয়ানা জারি করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।


এ মামলায় আসামি পাঁচজন। তাদের মধ্যে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজন পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। হাবিবুর ছাড়া ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান এবং রামপুরা থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ মামলায় একজন আসামি গ্রেফতার আছেন। তিনি হলেন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার। তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট।মামলায় তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে-গণ-অভ্যুত্থানের সময় ১৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি, বাসিত খান মুসার (৬) মাথা ভেদ করে গুলি চলে যায়। এতে তার দাদি মায়া ইসলাম মারা যান। একই দিন রামপুরায় মো. নাদিম নামের আরও এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।


প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, রাজধানীর রামপুরা এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বৃহস্পতিবার দাখিল করে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়। এতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।


মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ১৯ জুলাই রামপুরা থানার পাশে নিজ বাসায় নিচতলায় শিশু মো. বাসিত খান মুসা (৬) এবং তার দাদি মায়া ইসলাম (৬০) দাঁড়িয়ে ছিলেন। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশের (আসামিদের) ছোড়া ১টি গুলি শিশু মুসার মাথা ভেদ করে দাদির পেটে লাগে।


এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মায়া ইসলাম। অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে সংকল্পবদ্ধ হন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। তিনি আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে জনগণের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য ভুলে আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান। তিনি আন্দোলন দমেন ৫ আগস্ট ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন চানখাঁরপুল এলাকায় প্রাণঘাতী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে পুলিশ মোতায়েন করেন। যেন আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হয়ে শাহবাগের দিকে অগ্রসর হতে না পারেন। সেজন্য ৫ আগস্ট ভোর থেকে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশে ওই এলাকায় গুলি চালিয়ে নৃশংসভাবে ৬ জনকে হত্যা করে পুলিশঅভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, হাবিবুর রহমান গুলি করার নির্দেশ সংবলিত অডিও ক্লিপস উদ্ধার করেছে তদন্ত সংস্থা। হাবিবুর রহমান যে নির্দেশ দেয়েছেন, এ বিষয়ে ওয়্যারলেস অপারেটর কনস্টেবল শফিক মোহাম্মদ ডিএমপি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে ১৮ জুলাই রাত ৯টা ৫ মিনিটে একটি জিডি করেন। তদন্তকালে পলাতক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধান, অধীনস্থদের নির্দেশ প্রদানে সহযোগিতা, নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।


অভিযোগে বলা হয়, ১৯ জুলাই শুক্রবার বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অন্যতম রক্তাক্ত দিনে পরিণত হয়। পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী খিলগাঁও জোনের এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার ওসি মশিউর রহমান, এসআই তারিকুল ইসলাম ভুইয়া, এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার, বিজিবি ও অন্য পুলিশ সদস্যদের তাদের নির্ধারিত ডিউটি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। হাবিবুর রহমান তাদের সঙ্গে নিয়ে দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার দিকে বনশ্রী এলাকায় অবস্থিত রামপুরা থানার কাছে বনশ্রী জামে মসজিদের সামনে গলির মুখে যান। জুমার নামাজ শেষে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করছিল। এ সময় পুলিশ চাইনিজ রাইফেল, শটগান, পিস্তল দিয়ে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছোড়ে। এতে নাদিম (৩৮) শহীদ হন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, একই দিন বেলা ৩টার দিকে আমির হোসেন (১৮) কর্মস্থল অফতাবনগর থেকে বাসায় ফিরছিলেন। পথে রামপুরা থানার পাশে পুলিশের এলাপাতাড়ি গুলিবর্ষণ দেখে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন। পুলিশ ধাওয়া করলে একটি নির্মাণাধীন ভবনের তিন তলার ছাদের পাইপ ধরে ঝুলে থেকে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা করেন আমির। তখন খিলগাঁও জোনের এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার ওসি মশিউর রহমান, এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার ও এসআই তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া সেখানে যান। আমিরকে নিচে লাফ দিতে বলেন। আমির লাফ না দিলে তাকে পিস্তল দিয়ে পরপর ৬টি গুলি করেন তারা। এতে আমির হোসেন গুরুতর আহত হন।অভিযোগে বলা হয়, হাবিবুর রহমানের উপস্থিতিতে রামপুরা থানা পুলিশ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর কোনো কারণ ছাড়াই সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। পিস্তল, চায়না রাইফেল ও শটগান দিয়ে ১ হাজার ৭০২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। রামপুরা, বনশ্রী এলাকায় ওইদিন হাবিবের উপস্থিতিতে আরও ২৩ জনকে হত্যা এবং বহু মানুষকে আহত করে।


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...