Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

সচিবালয় কর্মচারীদের পদবি পরিবর্তনে ৯ যুক্তি

 



বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মচারীদের (ক্যাডার বহির্ভূত গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী) পদনাম পরিবর্তনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে সরকার। এ বিষয়ে রোববার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় ৯ বিষয় আলোচনা হয়েছে।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বিধি) শামীম সোহেলের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নয়টি বিষয় হলো-) বাংলাদেশ সচিবালয়ের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের ভিন্নতা রয়েছে বিধায় মাঠ প্রশাসনের চেয়ে ভিন্নতর স্বতন্ত্র পদনাম অর্থাৎ বাংলাদেশ সচিবালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে সংগতি পদনাম নির্ধারণ করা জরুরি।


২) নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ‘বাংলাদেশ বাংকে’ কর্মরতদের পদনাম অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকে কর্মরতদের পদনামের ভিন্নতা রয়েছে। এ ছাড়া নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে কর্মরতদের পদনাম অন্যান্য নিম্ন আদালতে কর্মরতদের পদনামের ভিন্নতা রয়েছে। অনুরূপভাবে সচিবালয়ের পদনাম মাঠ প্রশাসনের চেয়ে ভিন্নতা থাকা প্রয়োজন।) সহকারী সচিবের ফিডার পদ হচ্ছে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। এ দুটি পদের বেতন গ্রেড-১০ ও মর্যাদা অভিন্ন বিধায় বাস্তবতার আলোকে দু’টি পদকে একীভূতকরণ সময়ের দাবি।


৪) সচিবালয়ের প্রতিটি শাখাতে কর্মরত সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক, কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদগুলো ভিন্ন ভিন্ন পদনাম ও বেতন গ্রেড ভিন্ন হলেও পদগুলোর দায়িত্ব ও কর্মপরিধি একই এবং তৃতীয় শ্রেণির পর্যায়ভুক্ত অর্থাৎ ১১-১৬ গ্রেডের। এ পদগুলো প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তার ফিডার পদ। তাই এ পদগুলোকে এক ও অভিন্ন পদবিতে পরিবর্তন করা জরুরি।


৫) এ ছাড়া মাঠ প্রশাসনে বিশেষ করে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির পর্যায়ভুক্ত ১৩-১৬ গ্রেডের কর্মচারীদের পদনাম পরিবর্তন করে একটি মানসম্মত (স্ট্যান্ডার্ড) নামকরণ করেছে।) এক নিয়োগবিধিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে অন্য নিয়োগবিধির আওতায় পদোন্নতির কোনো সুযোগ নেই। তবে সচিবালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪-এর তপশিলের ৪ ও ৫ ক্রমিকে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, The Computer Personnel (Government Organizations) Recruitment Rules, 2019 অনুযায়ী কম্পিউটার অপারেটর ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তার ফিডার পদ। অর্থাৎ শুধু সচিবালয়ে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদ দু’টি সচিবালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪-এর তপশিলভুক্ত পদবি হিসেবে গণ্য হবে।


৭) সচিবালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪-এর তপশিলভুক্ত ১১-১৬ গ্রেডের পদগুলো ভিন্ন হওয়ায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে সম্মিলিত জ্যেষ্ঠতা তালিকার ওপর অহেতুক বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমার উদ্ভব হয়। কর্মচারীদের মাঝে আন্ত:কলহ ও দূরত্ব বাড়তে থাকে বিধায় এক ও অভিন্ন পদবিতে নামকরণ জরুরি।) সরকারি চাকরিতে পূর্বে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত এমনকি উচ্চতর বেতন গ্রেড হওয়া সত্ত্বেও সম্মিলিত জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রণয়নের ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিনিয়ররা জুনিয়র দ্বারা অতিক্রান্ত হয়ে সার্ভিসে ক্ষতিগ্রস্ত হন। পদোন্নতির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। অহেতুক বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমার উদ্ভব হয়; বিধায় এক ও অভিন্ন পদবী নির্ধারণ করা জরুরি।


৯) বাস্তবতার আলোকে কাজের পরিধি ও প্রকৃতি বিবেচনায় এক ও অভিন্ন uniformity বজায় রাখতে এবং পদোন্নতি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যতা বজায় রাখতে পদনাম পরিবর্তন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায়, বেতন গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে পদনাম পরিবর্তন করা হলে এতে সরকারের অতিরিক্ত কোনো অর্থের সংস্থান প্রয়োজন পড়বে না।


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...