Skip to main content

লক্ষ্মীপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতাকে আটক করলো সেনা সদস্যরা

  লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মো. বিল্লাল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় অভিযোগ চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সিনিয়র সদস্য।লক্ষ্মীপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে একটি একনলা এলজি অস্ত্র উদ্ধার করি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আপনার মতামত লিখুনঃ Countdown Timer

হত্যার শিকার সাংবাদিক তুহিনের বোকামি আমাকে ভাবাচ্ছে : আনিস আলমগীর

 





সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর বলেছেন, সাংবাদিকতা শুধুই সাহসিকতার পেশা নয়—এটি বিবেচনার, নীতির, এবং পেশাদার জ্ঞানের পেশা। বিশেষ করে সংঘাত বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট রিপোর্টিংয়ে, সাংবাদিকের প্রধান অস্ত্র শুধু তার কলম বা ক্যামেরা নয়—তার নিরাপত্তাবোধ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা। নিজের যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা থেকে ভাবছি এটা নিয়ে সবার উদ্দেশে কিছু বলা দরকার, বিশেষ করে আমার যেসব তরুণ সাংবাদিক ভাইয়েরা মাঠে কাজ করছেন।


শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরো বলেন, একজন সাংবাদিক, যে সত্য উদঘাটনের প্রয়াসে মাঠে নামেন, তার জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে সেই সত্য হয়তো আর কেউ জানতেই পারবে না।


‘দ্য ফাস্ট রুল অব জার্নালিজম ইজ : স্টে অ্যালাইভ। নো স্টোরি ইজ ওর্থ ডায়িং ফর।’- ইন্টারন্যাশনাল নিউজ সেফটি ইনস্টিটউট (আইএনএসআই)।

তিনি বলেন, ‘গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আজ মাসুদ কামাল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলছিলাম, তার অন্য মঞ্চ টক শোতে।


তখনো হত্যার কারণ জানতাম না। পরে পুলিশ সূত্রে জানলা— এক চক্র এক নারীকে দিয়ে হানি ট্র্যাপ ব্যবসা করত। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে গোলযোগে তারা তাকে প্রকাশ্যে কোপাতে থাকে। এই দৃশ্য তুহিন ভিডিও করছিলেন।

সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর বলেছেন, সাংবাদিকতা শুধুই সাহসিকতার পেশা নয়—এটি বিবেচনার, নীতির, এবং পেশাদার জ্ঞানের পেশা। বিশেষ করে সংঘাত বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট রিপোর্টিংয়ে, সাংবাদিকের প্রধান অস্ত্র শুধু তার কলম বা ক্যামেরা নয়—তার নিরাপত্তাবোধ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা। নিজের যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা থেকে ভাবছি এটা নিয়ে সবার উদ্দেশে কিছু বলা দরকার, বিশেষ করে আমার যেসব তরুণ সাংবাদিক ভাইয়েরা মাঠে কাজ করছেন।


শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরো বলেন, একজন সাংবাদিক, যে সত্য উদঘাটনের প্রয়াসে মাঠে নামেন, তার জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে সেই সত্য হয়তো আর কেউ জানতেই পারবে না।


‘দ্য ফাস্ট রুল অব জার্নালিজম ইজ : স্টে অ্যালাইভ। নো স্টোরি ইজ ওর্থ ডায়িং ফর।’- ইন্টারন্যাশনাল নিউজ সেফটি ইনস্টিটউট (আইএনএসআই)।



তিনি বলেন, ‘গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আজ মাসুদ কামাল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলছিলাম, তার অন্য মঞ্চ টক শোতে।


তখনো হত্যার কারণ জানতাম না। পরে পুলিশ সূত্রে জানলা— এক চক্র এক নারীকে দিয়ে হানি ট্র্যাপ ব্যবসা করত। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে গোলযোগে তারা তাকে প্রকাশ্যে কোপাতে থাকে। এই দৃশ্য তুহিন ভিডিও করছিলেন।


আরও পড়ুনঃ আরব আমিরাতের বিমানে বোমা হামলা, নিহত ৪০জন

তার ফলস্বরূপ তাকেও কুপিয়ে হত্যা করে সেই চক্র। তুহিন সাহসী ছিলেন, সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই সাহস কি সাংবাদিকতার প্রয়োজনে ছিল, নাকি তা বিপজ্জনক বোকামিতে পরিণত হয়েছে—এটা ভাবাচ্ছে।


তিনি আরো বলেন, ‘সাংবাদিকতা তথ্য সংগ্রহের পেশা, আত্মাহুতি দেওয়ার নয়। ‘বি ব্রেভ, বাট নট ফুলিশ।


’—এটাই সাংবাদিকতার বাস্তব শিক্ষা। যেখানে কেউ প্রকাশ্যে কাউকে কুপাচ্ছে, সেখানে দাঁড়িয়ে ভিডিও তোলা যে জীবনঘাতী ঝুঁকি, এটা বোঝার জন্য সাংবাদিক হওয়ারও দরকার পড়ে না—প্রয়োজন কমনসেন্স এবং পেশাগত প্রস্তুতি। তাৎক্ষণিক বুদ্ধি। জানাজানির পর, তুহিন এই অপরাধী চক্রের সঙ্গে আপস করতে ব্যর্থ হয়েছে।


আনিস আলমগীর বলেন, “সাংবাদিকতার নীতিমালায় কী বলা আছে? বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত সাংবাদিকতার নীতিমালায় (যেমন : এসপিজে কোড অব এথিক্স, আইএফজে গাইডলাইনস) স্পষ্টভাবে বলা আছে : ‘মিনিমাইজ হারম’–সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের প্রথম দায়িত্ব নিজের এবং অন্যদের ক্ষতি কমানো। নিজের জীবন সুরক্ষিত রাখা নৈতিক ও পেশাগত কর্তব্য। ‘অ্যাক্ট ইনডিপেন্ডডেন্টলি, বাট রেসপনসিবলি’-সত্য প্রকাশের চেয়ে আগে আসে দায়িত্বশীলতা। ‘সিক ট্রুথ অ্যান্ড রিপোর্ট ইট’—সত্য উদঘাটন করো, তবে সেটি এমনভাবে করো যেন নিজের ও উৎসদের ক্ষতি না হয়। একজন সাংবাদিকের কোনো রিপোর্ট, ছবি বা ভিডিও তখনই মূল্যবান, যদি সে বেঁচে থাকে সেটা প্রকাশ করার জন্য। নিজের জীবনকে মর্যাদা না দিলে রিপোর্টও অর্থহীন হয়ে পড়ে।”তিনি বলেন, ‘উন্নত দেশে হলেও এমন ভিডিও তুহিনের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করত। হত্যাকারীরা হয়তো পরে গোপনে প্রতিশোধ নিত, কিন্তু ড. ইউনূসের শাসনে বাংলাদেশে তা প্রকাশ্যেই ঘটছে। আইন-শৃঙ্খলা বলতে কিছু নেই। আর এই দৃশ্য আমাদের কাছে এখন যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মুখে কোনো বিকার নেই। কিভাবে তিনি এখনো সেই পদে আছেন, সেটা এক বিস্ময়। তার পুলিশ ৫ জনকে ধরেছে কিন্তু হত্যাকারী আসামিদের একজনকে ধরতে পারেনি এখনো। শুরু করবে এখন অজ্ঞাতনামা লিস্ট দিয়ে মামলা বাণিজ্য।’


তিনি বলেন, ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত কুপিয়ে ও পিটিয়ে ১৭৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাগুলো যুক্ত করলে সংখ্যাটা কোথায় দাঁড়ায়, একটু হিসাব করলেই আঁতকে উঠতে হয়। টিআইবির হিসেবে, এক বছরে (আগস্ট ২০২৪-জুলাই ২০২৫) ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৬ জনকে শুধু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে নিহত হয়েছেন ৩ জন। চাকরি হারিয়েছেন ২৪ জন, বরখাস্ত হয়েছেন ৮টি পত্রিকার সম্পাদক ও ১১টি টিভি চ্যানেলের বার্তাপ্রধান। আমরা এক ভয়াল অন্ধকারে ঢুকে পড়েছি। সাংবাদিক, গণমাধ্যম, সাধারণ মানুষ—কেউই নিরাপদ নই। শেখ হাসিনার পতনের খুশিতে আমরা ভুলে যাচ্ছি যে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে একটা অকার্যকর, অর্থহীন সরকার জাতির ঘাড়ে চেপে বসেছে।’তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিকরা কী শিখবেন এই ঘটনার পর? তুহিনের ‘বোকামি’ দিয়ে শুরু করেছিলাম। আসলেই, আমাদের মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। পিআইবি নামে একটা প্রতিষ্ঠান আছে, কিন্তু সেটি চালানো হয় রাজনৈতিক আনুগত্যে ভরা এক দালালকে ডিজি বানিয়ে, যারা বছর বছর একই গত্বাঁধা প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে একদল ‘নির্বাচিত’ লোকদের। কেউ কি তুহিনের মতো সাংবাদিকদের বলেছে—যে চিত্র সে ধারণ করছিল, সেটা তাকে জীবনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে? এই ধরনের ঘটনা কভার করতে গেলে কিভাবে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হয়, কবে ক্যামেরা নামিয়ে সরে যেতে হয়, কখন ‘লাইভ’ নয় বরং ‘সারভাইভ’ করতে হয়— সব শেখানো হয় না বলেই তুহিনরা মরে যায়। সাংবাদিকতার মূলনীতি পরিষ্কার : ‘সংবাদ গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কোনো সংবাদ জীবন থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।”


আপনার মতামত লিখুনঃ

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার অনুষ্ঠানের স্ক্রিনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি

  ‎উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এক কর্মশালায় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে উঠল শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পের (LDDP) কো-অর্ডিনেটর। ‎ ‎ ‎রংপুর বিভাগে দুই দিনের সফরে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্প (LDDP) বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় সকালে অংশ নেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ‎ ‎ এসময় প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর গোলাম রব্বানী সঞ্চালনা সময় এলইডি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ‎এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এত মানুষের রক্তের পর যদি এদের ছবি এখনো থাকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। তিনি জানিয়েছেন এটি ভুলক্রমে হয়ে গেছে। এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে, ফ্যাসিবাদ আমরা মনে করি না চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের অনেক রকম রূপ থাকে। তার কিছু কিছু প্রত...

গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল, অবৈধ হচ্ছে ডাকসুর জিএস পদও

  ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল হচ্ছে। সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে তা সাময়িক বাতিল করেছে। বৈধ ছাত্রত্ব না থাকার কারণে গত ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে গোলাম রাব্বানীর প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না। তার প্রেক্ষিতে জিএস নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। ওই নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এই সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কিছু প্রার্থী/প্যানেলের পক্ষ হতে ভোটদান, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি করা, ভোট দানের জন্য কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট কেন্দ্র দখল করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, ব্যালট-বাক্সসহ নানা কারচুপি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্...

ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

  ভাঙ্গা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তারফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণার প্রধান সমন্বয়ক আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন ভাঙ্গা উপজেলা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ফরিদপুর-২-এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের মানুষ টানা কয়েকদিন মহাসড়ক অবরোধ করেন। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয় দফায় সকাল-সন্ধ্যা তিন দিনের অবরোধ ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান ম. ম সিদ্দিক মিয়াঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল কালবেলাকে বলেন, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভোর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মহাসড়কে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও বাইরে থেকে আসা সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের হাজারখানেক সদস্য মহাসড়কে টহল দেবে। কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা...